1. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
আমরা গিলগিট এবং বাল্টিস্তানে পৌঁছানোর পরেই জে-কে এবং  লাদাখের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব : শ্রীনগরে রাজনাথ সিং - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
January 29, 2023, 3:39 pm

আমরা গিলগিট এবং বাল্টিস্তানে পৌঁছানোর পরেই জে-কে এবং  লাদাখের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব : শ্রীনগরে রাজনাথ সিং

মতিয়ার চৌধুরী
আমরা গিলগিট এবং বাল্টিস্তানে পৌঁছানোর পরেই জে-কে এবং  লাদাখের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব : শ্রীনগরে রাজনাথ সিং

পাকিস্তান পিওকেতে জনগণের বিরুদ্ধে  যে নৃশংসতা করছে, তার ফল  অবশ্যই পাকিস্তানকে ভোগ করতে হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জম্মু-কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরে শৌর্য দিবসের  অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে এমন্তব্য করেন।  প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) দখলে নেওয়ার নয়া দিল্লির পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন  সকল উদ্বাস্তু তাদের জমি এবং বাড়ি ফিরে পাবে। সিং বলেন জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জিত হবে।

“গিলগিট এবং বাল্টিস্তানে পৌঁছানোর উদ্ধার করা হবে — PoK-এর কিছু অংশ। “আমরা সবেমাত্র উত্তরে হাঁটা শুরু করেছি। আমাদের যাত্রা তখনই সম্পূর্ণ হবে যখন আমরা ভারতীয় পার্লামেন্টে ২২শে ফেব্রুয়ারি  ১৯৯৪ সালে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন করব এবং সেই অনুযায়ী গিলগিট এবং বাল্টিস্তানের মতো আমাদের অবশিষ্ট অংশগুলিতে পৌঁছাতে পারব। ,” সিং ‘শৌর্য দিবস’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন  — ১৯৪৭ সালের এই দিনে ভারতীয় বিমান বাহিনী শ্রীনগরে অবতরণ করেছিল।

২২ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ পার্লামেন্টের রেজুলেশন অনুসারে  পাকিস্তানকে অবশ্যই তার অবৈধ দখলদারিত্বের অধীনে কাশ্মীরের কিছু অংশ ছাড়তে হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী  জোর দিয়ে বলেন সর্দার বাল্লাভাই প্যাটেলের স্বপ্ন পূরণ হবে যখন ১৯৪৭ সালের সমস্ত উদ্বাস্তু তাদের জমি এবং বাড়ি ফিরে পাবে। ” আমি আপনাদের আশ্বাস্থ করছি   সেই দিন আসবেই ,” । “পাকিস্তান সরকার PoK-তে যে ঘৃণার বীজ বপন করছে এবং সময় বেশি দূরে নয় যখন মানুষ সেখানে ঘৃণা বিদ্ধেশের অবশান ঘটাতে  গণবিদ্রোহের আশ্রয় নেবে,”। ভারত এই দিনে শ্রীনগর বিমানবন্দরে ২৭ অক্টোবরকে ‘পদাতিক দিবস (শৌর্য দিবস)–বদগাম ল্যান্ডিং আইন’ হিসেবে পালন করে। এই দিনে সেনাবাহিনী পাকিস্তানি হানাদারদের মোকাবেলা করে তাদের হটিয়ে দিয়েছিল।

তিনি বলেন “৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার আগে কাশ্মীরি সমাজ  বিভক্ত ছিল, কিন্তু ৫ আগস্ট, ২০১৯-এর পরে  সমাজের বিভক্তি দূর হয়েছে।  কাশ্মির  সম্মিলিতভাবে সাফল্য এবং সমৃদ্ধির দিকে অগ্রসর হচ্ছে,”। “এটি কেবল একটি শুরু।”তিনি বলেন  ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে একটি নতুন সূচনা শুরু হয়েছে।  ১৯৪৭ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনী অবৈধভাবে কাশ্মীর দখলকারী হানাদারদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল। পদাতিক দিবস স্মরণ করিয়ে দেয় “আমাদের শত্রুদের মূলোৎপাটন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করা।”মিঃ সিং সীমান্ত রক্ষা এবং দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াতে  সৈন্যদের বীরত্ব ও অবদানের  প্রশংসা

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD