<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধী দলগুলোর আপত্তি সত্বেও সমালোচিত ‘‘রুয়ান্ডা বিল‘‘ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাশ হয়েছে। এই বিল পাশ হওয়ার ফলে ব্রিটেনে আশ্রয় নেয়া অবৈধ অভিবাসীদের যেতে হবে সেন্ট্রেল আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডাতে।
সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিলটি পাশ হয়। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন অভিবাসীদের বিপজ্জনক ক্রসিং থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি অপরাধী চক্র ভেঙে দিতেই এই পদক্ষেপ। এই বিলের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হলো যে অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী কেউ এখানে অবস্থান করতে পারবে না। জুলাই মাসের মাঝামাঝি অভিবাসীদের নিয়ে রুয়ান্ডার উদ্দেশে প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যেতে পারে বলেও তিনি জানান।
বিরোধী দলগুলোর আপত্তির মুখে পাঁচ মাস ধরে ঝুলে ছিল বিলটি। এখন শুধু এটি আইনে পরিণত হওয়ার অপেক্ষা। এ নিয়ে ২০২২ সালের এপ্রিলে রুয়ান্ডা সরকারের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয় ব্রিটেনের। চুক্তিতে বলা হয়, ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা নেওয়ার বিনিময়ে পাঁচ বছর দেশটিতে অভিবাসন প্রত্যাশীদের জায়গা দেবে রুয়ান্ডা। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসন বাবদ বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ব্রিটেন।
এদিকে রুয়ান্ডা বিলকে অমানবিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ব্রিটেনের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তবে সাধারন বিট্রিশরা এই বিলকে স্বাগত জানিয়েছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং ইউরোপ কাউন্সিল উভয়ই ব্রিটেনকে তার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানায়। কারণ এই আইনটি মানবাধিকার সুরক্ষাকে ক্ষুন্ন করে এবং বিশ্বব্যাপী অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এখানে উল্লেখ্য যে ইংলিশ চ্যানের পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ব্রিটেনে প্রবেশ করতে প্রতিবছর নৌকা ডুবিতে মারা যায় অসংখ্য মানুষ। শুধু তাই নয় উন্নত জীবনের আশায়া অনেকেই ব্রিটেনে প্রবেশ করে মিথ্যা কাগজপত্র দিয়ে ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে। মানবাধিকারের দেশ ব্রিটেন তা সহজে প্রত্যাখান করতে পারেনা।
এভাবে গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তান সহ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় দুই মিলিয়ন মানুষ রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছে। এই বোঝা বহন করা ব্রিটেনের পক্ষে কষ্টদায়ক। এবসব অবৈধ অভিবাসারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, এছাড়া এরা বিভিন্ন ভাবে দেশের পরিবেশ পরিস্থিতিকে নষ্ট করছে। বাংলাদেশ থেকে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ আশ্রয় প্রার্থি রয়েছে, সকলকেই যেতে হবে রুয়ান্ডায়।
এসব মামলা যাতে সহজে নিষ্পত্তি হয় এজন্য তৈরী করা হচ্ছে বিশেষ ট্রাইবুন্যাল। রুয়ান্ডাতে ব্রিটিশ সরকার তৈরী করেছে শত শত বাড়ী , এসব বাড়িতে ঠাই হবে আশ্রয় প্রার্থিদের। এদের পাহাড়া দিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত পাঁচশত নিরাপত্তা কর্মিও। বিশেষ ট্রাইবুন্যালে আশ্রয় বিবেচিত হলে ফিরতে পারবে ব্রিটেনে নাহয় চলে যেতে হবে আশ্রয় প্রার্থিদের নিজ নিজ দেশে।
Leave a Reply