1. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের উচ্ছেদ নোটিশ - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
January 29, 2023, 6:07 pm

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের উচ্ছেদ নোটিশ

মতিয়ার চৌধুরী
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের উচ্ছেদ নোটিশ
কাশ্মিরের সাবেক মূখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। ছবিঃ বাংলা কণ্ঠ

জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন  রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে শ্রীনগরের উচ্চ-নিরাপত্তার গুপকার এলাকায় তার সরকারী বাংলো খালি করতে নোটিশ পাঠিয়েছে। জেএন্ডকে এস্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা নোটিশে মেহবুবাকে ফেয়ারভিউ বাসভবনটি  দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালি করতে বলা হয়েছে। ওই বাড়িতে  তিনি ২০০৫ সাল থেকে বসবাস করে আসছেন। যখন তার বাবা মুফতি মুহাম্মদ সাঈদ, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন থেকে। মেহবুবা বলেন, “উচ্ছেদ নোটিশ অপ্রত্যাশিত।” সাবেক মূখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি  সাংবাদিকদের বলেছেন  তিনি তার আইনজীবিদের সাথে পরামর্শ করে নোটিশের জবাব দেবেন।  কেননা তার থাকার কোন বিকল্প নেই।

১৫অক্টোবর, মেহবুবা মুফতি এবং নাজির গুরেজি সহ আরও কয়েকজন  প্রাক্তন বিধায়ককে তাদের সরকারি বাসস্থান খালি করার জন্য নোটিশ জারি করা হয়। ২০২০ সালে কেন্দ্র সরকার  রাজ্য আইন সংশোধন করেছে। নতুন সংশোধিত আইনে বলা  হয়েছে সাবেক  মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধায়কদের  দায়িত্ব শেষের পর সরকারি বাসস্থান অবশ্যই ছাড়তে হবে। ২০২০ সালের পূর্বে রাজ্যে এননিয়ম ছিলনা যারা এককবার বিধায়য়ক বা মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে সরকারী বাড়ি বরাদ্ধ পেয়েছেন  তা কোনদিনই ছাড়তে হয়নি।

কেন্দ্র সরকারের নতুন আইন অনেককে বিপাকে ফেলেছে।  মেহবুবা বলেন, যদিও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলোটি জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বরাদ্ধ ছিল বিষয়টি  কিন্তু  আসলে তা নয়।“তিনি বলেন এই বাড়টি  আমার বাবাকে (মুফতি মোহাম্মদ সাঈদ) বরাদ্দ করা হয়েছিল ডিসেম্বর ২০০৫ সালে, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার বাদে। যখন  তিনিএই বাড়িতে উঠেন তখন তিনি রাজ্যর মূখ্যমন্ত্রী ছিলেননা।  সাবেক মূখ্যমন্ত্রী  ও বিধায়ক ছিলেন। নোটিশে  প্রশাসনের উল্লিখিত ভিত্তিগুলি সঠিক নয়,”। মেহবুবা  বলেন  তিনি তার আইনজীবদের  সাথে পরামর্শ করবেন কারণ শ্রীনগরে তার থাকার জায়গা নেই। তার বাবা মুফতি সাইদ এবং তিনি উভয়েই কাশ্মিরের সাবেক মূখ্যমন্ত্রী।

ফেয়ারভিউ বাসভবনটি পূর্বে  একটি কুখ্যাত নির্যাতন কেন্দ্র ছিল, যা পিএপিএ-২ নামে পরিচিত। ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত  এই বাড়ি ছিল একটি সরকারী গেস্ট হাউস। এর  এক বছর পরে, এটি বিএসএফ এর নিয়ন্ত্রনে চলে যায।  তখনও বাড়িটি  পিএপিএ-২ নামে পরিচিত  ছিল।  ২০০৩  সালে, এই বাড়িটি  সংস্কার করা হয় এবং তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মুজাফফর হোসেন বেগের বাসভবন হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ২০০৫ সালে সাবেক মূখ্যমন্ত্রী মুখতি সাইদের নামে বরাদ্দ করা হয়। এর  পর যখন মেহবুবা মুফতি মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তখন ও এই বাড়িতেই ছিলেন,  এখনও আছেন।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD