<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

শিক্ষাই আলো। সে আলোয় আলোকিত হয় শিশুর অনাগত ভবিষ্যৎ। শিশুর শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক, আবেগিক, বুদ্ধিবৃত্তীয়, নৈতিক, যৌক্তিক, সৃজনশীল ও বিজ্ঞান মনস্কতার বিকাশে শিক্ষা কাজ করে। শিশুর মনন ও মগজের বিকাশের জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে বর্তমান সরকার জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০১০ প্রণয়ন করেন। যার ফলে আধুনিক ও বৈশ্বিক শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে চলার পথ সুগম হয়েছে বহুলাংশে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার যাদুকরী ছোঁয়া প্রাথমিক শিক্ষাও পেয়েছে। স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বর্তমান সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
প্রাথমিক শিক্ষাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজেশন করা এখন সময়ের দাবী। বৈশ্বিক শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক শিক্ষাকে ঢেলে সাজানো। ই-বুক প্রণয়ন, ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম, ডিজিটাল ল্যাব, বায়োমেট্রিক হাজিরা, সিসি ক্যামেরার সাহায্য শ্রেণি কার্যক্রম মনিটরিং, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে শতভাগ শিশুকে উপবৃত্তি প্রদান, ডিজিটাল মনিটরিং টুলস হিসেবে শিক্ষা কর্মকর্তাদেরকে ট্যাব প্রদান করাসহ প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট কানেকশনের আওতায় নিয়ে আসা।
ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষার দুইটি দিক রয়েছে : ১। প্রাথমিক শিক্ষায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা। ২। প্রাথমিক শিক্ষার কনটেন্ট ইন্টারঅ্যাক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্শনে রূপান্তরকরণ। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০, জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা ২০০৯ ও ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়ও কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
শিক্ষা উপকরণ ডিজিটালাইজেশন ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন শিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী ভূমিকা পালন করছে। আর শিক্ষার প্রাথমিক স্তরেই এ ডিজিটালাইজেশনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা উচিত। বিটিআরসির সোশ্যাল অবলিগেশন তহবিলের (এসওএফ) অর্থায়নে হাওর, প্রত্যন্ত, অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকার ৬৫০টি স্কুলে এই প্রকল্প ২ বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
এই প্রকল্পের আওতায় ৬৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ক্লাসরুম ডিজিটাল হবে। এর মধ্যে ৩০টি স্কুলে শিশুরা বইবিহীন বা অনলাইনে ট্যাবে লেখাপড়া করতে পারবে। তাদের ক্লাসে ডিজিটাল টিভি, আইপিএস ও ইন্টারনেট থাকবে। ডিভাইস ও ইন্টারনেট থাকলে শিশুরা বাড়িতে বসে বা অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে।
বেসরকারিভাবে ২০০০ ও ২০১৫ সালে এ ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা দেশে চালু হলেও সরকারিভাবে কোনও প্রকল্প গ্রহণ করে পাঠ্য বিষয়ের সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন করে ডিজিটাল যন্ত্রের সহায়তায় শিক্ষার সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন এই প্রথম। বর্তমানে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ডিজিটাল হয়েছে সাড়ে ৫৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৩ হাজার ৬৮৯টি ল্যাপটপ এবং ২২ হাজারের বেশি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে ৩৬ হাজার ৭৪৬টি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ৫১ হাজার সাউন্ড সিস্টেম প্রদান করা হয়েছে। ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল ডিভাইস বিতরণ করা হয়েছে। ডিজিটাল ক্লাসরুম তৈরিতে এসব কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে।
ডিপিইর ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বত্র ই-মনিটরিং সিস্টেম চালুর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৭০০টি ট্যাব প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১২টি নতুন পিটিআইয়ের মধ্যে ১১টিতে আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। পুরাতন ৫৫টি পিটিআইয়ের আইসিটি ল্যাবে আরও ১০টি করে নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ২টি করে এসি সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাথমিকের ১ম থেকে ৫ শ্রেণি পর্যন্ত ২১টি বইয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহারের নিমিত্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ডিজিটাল কন্টেন্টের ডিভিডি পাঠানো হয়েছে।
৬০ হাজারের বেশি বিদ্যালয় শিক্ষকদের আইসিটি কন্টেন্ট তৈরির বিষয়ে ১২ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের করে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক প্রতিটি ক্লাস পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। আবার ক্লাউডস অ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে বিদ্যালয়টির শিখন-শেখানো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা যায়। করোনাকালীন সময়ে ঘরে বসে শিখি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠ গ্রহণ করে।
তাছাড়া বর্তমানে শিক্ষকরা আইবাস+++ সিস্টেমে অনলাইন ব্যাংকিংর মাধ্যমে বেতন ভাতাদি পাচ্ছে। অনলাইনে শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম- সহজ ও স্বচ্ছ। তাছাড়া শিক্ষকদের পেনশনকেও সহজীকরণের জন্য ডিজিটালাইজেশন করার প্রক্রিয়া চলছে।
সহজ কথায় বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজেশন করার জন্য সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। অচিরেই আমাদের শিশুরা শিক্ষার ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা ভোগ করতে পারবে। আমরা করবো জয়।
লেখক,
মোঃ হাসিবুল ইসলাম
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার
আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১০৯৪৪৯৮৪
Leave a Reply