1. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সঠিক রাস্তার সন্ধান পাওয়া যায় : জুমার খুৎবায় মাওলানা নোমানী - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সঠিক রাস্তার সন্ধান পাওয়া যায় : জুমার খুৎবায় মাওলানা নোমানী

এম এ মজিদ, হবিগঞ্জ
  • শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে
আগুয়া গ্রামের গজব নাজিল হয়েছে : জুমার খুৎবায় সৈয়দ মোবাশ্বির আহমেদ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কাদমা ঘোলডুবা সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা মসজিদে ১২ মে শুক্রবার জুমার খুৎবায় মাওলানা আইনুল হক নোমানী বলেছেন- মাদ্রাসার ছাত্ররা যখন ইসলামী জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে নিজ নিজ ঘর থেকে বের হয়, ধরে নিতে হবে তারা

আল্লাহর সঠিক রাস্তায় রয়েছে। একইভাবে মাদ্রাসার শিক্ষকরা যখন জ্ঞান বিতরনের জন্য নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হন তারাও সমাজে এবং ইসলামের দৃষ্টিতে সবার সেরা। এই বোধ শক্তি না থাকার কারণে মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকগন উপযুক্ত সম্মান পাচ্ছেন না। তাছাড়া ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে যারা তাবলীগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বুঝান তারাও ইসলামের সঠিক রাস্তা বেছে নিয়েছেন।

রাষ্ট্রযন্ত্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কিছু মানুষ জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর পথ বেছে নিয়েেেছন, তারাও আল্লাহর সঠিক পথেই আছেন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ৩টি জিনিস খুবই প্রয়োজন। সেগুলো হল- ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া, তাবলীগের মাধ্যমে ইসলামের দাওয়াত পৌছে দেয়া এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এ তিনের সমন্বয়ে ইসলাম কায়েম হলে তা সুদৃঢ় হয়, টেকসই হয়। ২৭ মিনিনটের জুমার খুৎবায় তিনি মাদ্রাসা ছাত্রদেরকে অধ্যয়নে আরও বেশি করে মনোনিবেশের আহবান জানান।

২০০৯ ইং সনে ঘোলডুবা গ্রামের মোঃ বকর মিয়া দবির ৩৫শতক জায়গার উপর জামিয়া সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে ৩ তলা বিশিষ্ট্ মাদ্রাসা ও ৩ তলা বিশিষ্ট মসজিদ কমপ্লেক্স রয়েছে। ১শ আবাসিক ও পৌনে ৩শ অনাবাসিক ছাত্রকে ১০ জন উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষক হেফজ বিভাগে ও কওমী সিলেবাসে শিক্ষা প্রদান করছেন। মোট পৌণে ৪শ শিক্ষার্থীর বেশির ভাগই বিনা বেতনে সেখানে অধ্যায়নের সুযোগ পাচ্ছে।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা বকর মিয়া দবির জানান- প্রতি মাসে ছাত্রদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকার মতো বেতন পাওয়া যাচ্ছে এর বিপরীতে মাদ্রাসার আবাসিক অনাবাসিক ছাত্রদের পিছনে খরচ হচ্ছে প্রতি মাসে ৩ লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা। ৬ ভাই ৩ বোনের সবাই বৃটেন প্রবাসী উল্লেখ করে বকর মিয়া দবির জানান- মাদ্রাসার ব্যয় পরিবারের সদস্যরাই মিটিয়ে থাকেন।

মাদ্রাসার নামে ইতিমধ্যে আরও ৪ ক্ষের জায়গা দান করা হয়েছে। নয় মৌজা, কৈলাশগঞ্জ, রাইয়াপুর, কাদমা, ঘোলডুবাসহ আশপাশের অঞ্চলে সিরাজুল উলুমই একমাত্র কওমী ঘরানার একটি ব্যয়বহুল মাদ্রাসা। বকর মিয়া দবির হবিগঞ্জ শহরে একটি মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিমধ্যে জায়গা ক্রয় করেছেন। চলতি বছর এর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD