<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

কট্টর হিন্দুত্ববাদী অ্যাজেন্ডার কালো ছায়া ও রাশিয়ার প্রতি নরম মনোভাব সত্ত্বেও পশ্চিমা বিশ্ব আপাতত ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে কাছে টানার চেষ্টা করছে৷ বার্লিন সফরেও যথেষ্ট খাতির পেলেন মোদী৷
ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার হামলা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অনেক রসায়নের মতো ভারত ও জার্মানির সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলছে৷ তাই সোমবার বার্লিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে গিয়ে জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস এশিয়া মহাদেশে ভারতের বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরেন৷ এই সফরকে ঘিরে জার্মানির সংবাদমাধ্যমে যথেষ্ট কৌতূহল দেখা গেছে৷ অতীতে দুই দেশের সরকার প্রধান ও মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত বার্ষিক বৈঠক এমন গুরুত্ব পায়নি৷
গণতন্ত্র হওয়া সত্ত্বেও ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়নের মতো বর্তমান প্রবণতা হিন্দুত্ববাদী মোদির সরকারের ওপর কালো ছায়া ফেলেছে৷ জার্মানিতেও সেই বদনাম অজানা নয়৷ ইউক্রেন সংকটের ক্ষেত্রে এখনো রাশিয়ার আচরণের সরাসরি নিন্দা করে নি নতুন দিল্লি৷ পশ্চিমা বিশ্বের মতো মস্কোর উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক কমানোর পথে যায় নি ভারত৷ তা সত্ত্বেও বার্লিনে অন্তত প্রকাশ্যে মোদীকে কোনো বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি৷ বরাবরের মতো সংবাদ সম্মেলন এড়িয়ে চলায় তাকে কোনো অপ্রিয় প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়নি৷
জার্মানিসহ পশ্চিমা বিশ্ব বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের নানা বিতর্কিত অবস্থান সত্ত্বেও ওই দেশকে বরং কাছে টানার চেষ্টা করছে৷ চ্যান্সেলর শলৎস জাপানকে তার এশিয়া সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন৷ বার্লিনে এশিয়ার প্রথম সরকার প্রধান হিসেবে মোদিকে সাড়ম্বরে স্বাগত জানালেন তিনি৷ অথচ চীনের সাথে জার্মানির নতুন সরকার এখনো উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ শুরু করেনি৷ শুধু চীনের করোনা সংকটকে এমন শীতল মনোভাবের জন্য দায়ী করা যাচ্ছে না৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নও চীনের বদলে ভারতকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে৷
আসলে ইউক্রেন সংকট অনেক হিসাবনিকাশ গোলমাল করে দিয়েছে৷ বিশ্বকে আর শুধু স্বৈরাচারী ও গণতান্ত্রিক শিবিরে ভাগ করা যাচ্ছে না৷ তাই পুতিনের রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি কমাতে বা বন্ধ করতে সৌদি আরব ও কাতারের মতো দেশের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে জার্মানিকে৷ ভারতকেও ভবিষ্যতে ‘গ্রিন হাইড্রোজেন’ জ্বালানির উৎস হিসেবে দেখছে জার্মানি৷ ১৪০ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে বর্তমান রেকর্ড তাপপ্রবাহ জলবায়ু বিপর্যয়ের অশনি সংকেত নিয়ে আসছে৷ ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলাতে ভারতের আরো সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চায় জার্মানি৷ দক্ষ কর্মীর ঘাটতি মেটাতেও ভারতের মানবসম্পদ বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে৷
প্রশ্ন হলো, এমন সুবিধাজনক অবস্থার কতটা ফায়দা তুলতে পারবে মোদির সরকার৷ শ্রীলঙ্কার মতো সঙ্কট সৃষ্টি না হলেও বিপুল রাষ্ট্রীয় ঋণ, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতির উপর চাপ সামলাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে সরকারকে৷ আরো বিদেশী বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সেই ভার কিছুটা লাঘব করতে পারে৷ তবে রাশিয়ার প্রশ্নে মোদীর সরকার তার সুবিধাবাদী অবস্থান কতকাল বজায় রাখতে পারবে, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে৷ ইউক্রেনের ঐক্য ও অখণ্ডতা সম্পর্কে নীরব থাকলে চীনের আগ্রাসনের মুখে কতটা আন্তর্জাতিক সংহতি আশা করতে পারে ভারত?
সূত্র : ডয়চে ভেলে
Leave a Reply