<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

নবীগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের হাজী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক জটিলতার পাশাপাশি এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বিদ্যালয়ের “প্রতিষ্ঠাতা” পরিচয় ঘিরে। দানবীর হাজী আঞ্জব আলীর নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়ে তাঁর মৃত্যুর পর থেকে বিধি-বহির্ভূতভাবে পরিচালনা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষক, কমিটি ও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের মধ্যে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যা বিদ্যালয়েল শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
শিক্ষক ও এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী- সাকোয়া শেরপুর গ্রামের উদারমনস্ক দানবীর হাজী আঞ্জব আলী ২০০০ সালে নিজ অর্থায়নে ও ১.৪৪ একর জমি দান করে “হাজী আঞ্জব আলী উচ্চ বিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করেন। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে ভর্তি ও পাঠদানের সুযোগ করে দেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত (২০০৫ সাল) শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও নিজ হাতে পরিশোধ করতেন। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা মনসুর আহমদ আতিক বলেন- ২০১৯ সালে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি বিধি ভঙ্গ করে মোঃ রিয়াজুল ইসলামকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরে আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পাই। দায়িত্ব পাওয়ার পর রিয়াজুলের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ করি সিলেট অঞ্চলের উপপরিচালক বরাবর।
তবে তিনি স্বীকার করেন, অভিযোগের আগে তিনি বর্তমান কমিটির অনুমতি নেননি। বিদ্যালয়ের নামফলকে প্রতিষ্ঠাতার স্থলে “আনোয়ার আলী” নাম কেন যুক্ত হয়েছে-এ প্রশ্নের স্পষ্ট জবাবও দিতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- তৎকালীন কমিটি বারবার বিজ্ঞপ্তি দিয়েও যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় আমাকে অনুরোধ করে নিয়োগ দেয়। যারা আজ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে, তারাই তখন স্বাক্ষর দিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন- আমার নিয়োগ যদি অবৈধ হয়, তাহলে যারা নিয়োগ দিয়েছে তারাও একই অপরাধে দায়ী। বর্তমান প্রধান শিক্ষক অনুমতি ছাড়া বিগত কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে চাকুরি বিধি লঙ্ঘন করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রসঙ্গে রিয়াজুল ইসলাম বলেন- এলাকার সবাই জানে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আঞ্জব আলী। তাঁর মৃত্যুর পর বড় ছেলে আনোয়ার আলী কিছুদিন দায়িত্বে ছিলেন। পরে সুযোগ নিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত করতে নাম পরিবর্তন করেন। আমরা আপত্তি জানাতে পারিনি।
সম্প্রতি হাজী আঞ্জব আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী লিলু বিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন দিয়ে স্বামীর নাম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পুনর্বহালের দাবি করেছেন। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের মধ্যে স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে-একদল আনোয়ার আলীর পক্ষে, অন্যদল প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্য সদস্যদের পক্ষে। এতে প্রশাসনিক কাজেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী আলতাব আলী বলেন- মানুষ মৃত বাবার স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করে স্কুল, এখানে উল্টোটা হচ্ছে—বাবার নাম মুছে ছেলে নিজের নাম বসাতে চায়!
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হাফিজুল ইসলাম বলেন- প্রধান শিক্ষক না থাকায় শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। মনসুর আতিকের দেয়া অভিযোগে বর্তমান কমিটির অনুমতি নেয়া হয়নি, যা প্রক্রিয়াগত ত্রুটি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহ আলম বলেন- প্রতিষ্ঠাতার নাম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি দেখছেন।
নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বলেন- লিখিত অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। বিদ্যালয়ের দাতা সদস্যদের তালিকা যাচাই করেও প্রতিষ্ঠাতার নাম নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত আসা যাবে বলে মনে করছি।
Leave a Reply