
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘এখন জাতীয়ভাবে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়, বিচার স্বাধীনভাবে চলবে। এই সরকারের পরে যারা সরকারে আসবে, তাদের সেটা টেনে নিয়ে যেতে হবে।’ মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) আয়োজনে ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সেগুলোর বিচার করতে গেলে অনেক সময় লাগবে এবং সেই সময়ে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে বিচারের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে। সুতরাং বিচারের সাথে নির্বাচনের সম্পর্ক সরাসরি আছে, সেটা বলা ঠিক হবে না। আর বিচারের জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়া অবিচারের শামিল। কারণ, বিচারের দীর্ঘ প্রক্রিয়া আমরা সবাই জানি এবং সুবিচার করতে হলে সময় দিতে হয়।’
এ দেশে কেউ অপরাধ করে পার পাবেন না বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। দেশে ও বিদেশে বসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অস্থিরতা সৃষ্টির অনেক চেষ্টা হয়েছে বলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘অস্থির পরিস্থিতি বন্ধের উপায় হলো একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত করা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেটি যত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ততই জাতির জন্য মঙ্গল।’
যৌক্তিকভাবে সবকিছু বিবেচনা করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন বিএনপির এই নেতা। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ প্রমুখ।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply