1. admin@wordpress.com : Adminroot :
  2. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
  3. admin@wordpress.com : root :
  4. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের বৈধতা দিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিল উত্থাপন - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের বৈধতা দিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিল উত্থাপন

মতিয়ার চৌধুরী, লন্ডন
  • মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রিটেনে দীর্ঘসময় অসুস্থতায় ভুগছেন এমন কেউ  স্বেচ্ছায় নিজমৃত্যু নিশ্চিত করতে চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে নিজের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পারবেন। স্বেচ্ছায় মৃত্যু নিশ্চিত করাকে আইনগত বৈধতা দিতে ‘‘এসিস্টেড ডায়িং” নামক একটি বিল বৃটিশ পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে।

এই বিলটি আইনে পরিণত হলে অসুস্থ যে কেউ ঔষধ সেবনের মাধ্যমে নিজের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পারবেন।  ইসলাম ধর্ম সহ প্রতিটি ধর্মেই  যা আত্মহত্যার শামিল।  ব্রিটেনের মুসলিম কমিউনিটি সহ অন্যান্য ধর্মালম্বীরা এই বিলটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

আগামী ২৯ নভেম্বর বিলটি  ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সেকেন্ড রিডিংয়ের জন্য উত্থাপন করা হবে। এই বিলের বিপক্ষে অবস্থান নিতে  ব্রিটিশ এমপিদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বৃটেনের অধিকাংশ মানুষ। পাশাপাশি গ্রেটবৃটেনের  সর্বস্তরের ব্রিটিশ-বাংলাদেশীদেরকে নিজ নিজ এলাকার এমপির কাছে চিঠি লিখে বিলের বিপক্ষে ভোট দিতে আহবান জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গেল ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ‘‘থার্টিন রিভার ট্রাস্ট”‘‘সলিম ব্যারিয়ার  ফান্ডের’’  উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহবান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইডেন কেয়ারের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাদিরা হুদা, থার্টিন রিভার্স ট্রাস্টের পক্ষে আবু মুমিন, মুসলিম ব্যারিয়াল ফান্ড ম্যানেজার ইউসুফ খান ও এমবিএফ অ্যাম্বসেডর আমিনুর চৌধুরী। প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়ছে, যাদের ছয় মাস বা তার কম সময় বেঁচে থাকার সম্ভাবনাসহ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা নির্ণয় করা হয়েছে।

বিলটি আইনে পরিণত হলে তারা ডাক্তারের পরামর্শে স্বেচ্চায় মৃত্যুর স্বাদ নিতে পারবেন। এই আইন যুক্তরাজ্যে সংখ্যালুঘু, নিম্ন আয়ের মানুষ, প্রতিবন্ধী এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের ওপর বেশ প্রভাব বিস্তার করবে । একজন প্রতিবন্ধী কিংবা মানসিক সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তিকে তার পরিবার বোঝা মনে করতে পারে। সুতরাং, পরিবারই হয়তো তাকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দেবে।

আবু মুমিন বলেন, ব্রিটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বৃদ্ধ জনগোষ্ঠী খুবই অবহেলিত। অনেক ক্ষেত্রেই সন্তানরা মা বাবাকে দেখাশোনা করতে চায় না । তাই একজন মা কিংবা বাবা যখন দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় ভুগবেন এবং পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে থাকবেনা, তখন তিনি ঔষধ সেবনের মাধ্যমে মৃত্যূবরণ করতে রাজি হতে পারেন।

তিনি বলেন, এই আইন বর্তমানে কানাডা এবং নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশে চালু আছে। কানাডায় অভিবাসী, মুসলিম, সংখ্যালুঘু কমিউনিটির মানুষই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই আইনের সুবিধা নিচ্ছে । কারণ এই শ্রেণীর মানুষ বিভিন্ন কারণে স্বাস্থ্য বৈষম্যের শিকার। নেদারল্যান্ডসের আইনটি এখন আরো সম্প্রসারণ হচ্ছে। আগে সেখানে শুধু দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্তদের ঔষধ সেবনের মাধ্যমে মৃত্যূবরণে আগ্রহী করা হতো, এখন অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রয়োগ হচ্ছে। যেমন যারা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তারা এবং ১২ বছর বয়সীরাও স্বইচ্ছায় মরতে  পারবেন।

আবু মুমিন আরো বলেন, খুবই ভয়াবহ একটা বিষয় হচ্ছে যে, চিকিৎসকরা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অকেজো করে দিতে ঔষধ খেতে দিবে । তাই ঔষধ সেবনের পর মারা যেতে অনেক সময় লাগবে। তাছাড়া, ঔষধ সেবনের পর অনেকে মারা নাও যেতে পারে । সুতরাং তাদেরকে জীবন-মৃত্যূর মাঝামাঝি তীব্র যন্ত্রনার মধ্যদিয়ে দিন কাটাতে হবে। তাই আমরা মানবতাবিরোধী এই বিলের পক্ষে  ভোট না দিতে  ব্রিটিশ এমিপদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি ।

আমরা যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সর্বস্তুরের বৃটিশ-বাংলাদেশীদেরকে তাঁদের স্থানীয় এমপির বরাবরে চিঠি লিখতে আহবান জানাচ্ছি, যাতে এমপিরা  বিলের পক্ষে ভোট প্রয়োগ থেকে বিরত থাকেন।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD