1. admin@wordpress.com : Adminroot :
  2. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
  3. admin@wordpress.com : root :
মার্কিন নির্বাচনে বেশি ভোট পেয়েও হতে পারে পরাজয়! - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

মার্কিন নির্বাচনে বেশি ভোট পেয়েও হতে পারে পরাজয়!

বাংলা কণ্ঠ ডেস্ক
  • শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে
ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান : কমলা ৬১, ট্রাম্প ৩১!

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর হিলারি ক্লিন্টনকে পরাস্ত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তার এই জয় ‘অপূর্ব’! কিন্তু ক্লিন্টনের অনুগামীরা হতাশই হয়েছিলেন। কেননা গোটা দেশের হিসেবে ট্রাম্পের থেকেও ৩০ লাখের ভোট বেশি পেয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট নেত্রী। তবু শেষ হাসি হাসেন রিপাবলিকান নেতাই। আসলে এর পিছনে রয়েছে মার্কিন নির্বাচন কাঠামোর এক অদ্ভুত নিয়ম।

কী সেই নিয়ম? আমেরিকার প্রত্যেকটি রাজ্য নিজের আইনমাফিক নির্বাচন সম্পন্ন করে। ফলে ভোটগণনার নিয়মও হয় ভিন্ন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মার্কিন জনতা পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে ইলেক্টরদের ভোট দেয়। ৫৩৮টি ইলেক্টরের মধ্যে যিনি বেশি ভোট পান তিনিই প্রেসিডেন্ট পদে বসেন। মোট ৫৩৮টি ইলেক্টরাল কলেজের মধ্যে ম্যাজিক ফিগার ২৭০ কোন প্রার্থী আগে ছুঁয়ে ফেলেছেন তা স্পষ্ট হয়ে যায়। সেইমতো বিরোধী প্রার্থী পরাজয় স্বীকার করে নেন। তার পর বাকি থাকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। ১৭৮৭ সালে মার্কিন সংবিধানে এই নিয়ম বর্ণিত হয়। আজও যার ব্যত্যয় হয়নি।

অর্থাৎ আমেরিকায় নির্বাচন রাজ্যভিত্তিক, কেন্দ্রভিত্তিক নয়। সে দেশে ভোটাররা পরোক্ষ পদ্ধতিতে ভোট দেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে। আর সেইসাথে এক-একটা রাজ্য একসাথে হয়ে ওঠে লাল বা নীল। ‘লাল’ হলো রিপাবলিকান দলের রং, আর ‘নীল’ ডেমোক্র্যাটদের। আবার এমন রাজ্যও রয়েছে, যার এক-এক ভাগ নিজেদের মতো করে লাল বা নীল হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে দেশের মানচিত্রটা লাল-নীলের নকশা হয়ে ওঠে, রাজ্য ধরে ধরে।

৫৩৮ আসনের ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’-এ বিভিন্ন রাজ্যের জন্য নির্দিষ্ট আসন অবশ্য অনেকটাই তাদের জনসংখ্যার উপরে নির্ভরশীল। ওই বিচারে এক-এক রাজ্যের গুরুত্ব এক-এক রকমের। ৫৪টি ইলেক্টোরাল আসন নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। ক্যালিফোর্নিয়ার ওই ৫৫টি আসন কোনো একটি দল পাবে একসাথে। এর পরই টেক্সাস ৪০ এবং ফ্লোরিডা ৩০। ওদিকে, আলাস্কা, ডেলাওয়্যার, ওয়াশিংটনের মতো রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট মাত্র তিনটি। মোটের উপর কতটা লাল বা নীল হয়ে ওঠে অনিশ্চিত রাজ্য বা ‘সুইং স্টেট’গুলো, তার ভিত্তিতেই ঠিক হবে হোয়াইট হাউসের পরের চার বছরের মালিকানা।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD