
কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই স্বামীকে হার্টের চিকিৎসা করাতে যাওয়ায় সতর্কীকরণ নোটিশ পেলেন জনাব আলী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৪খ্রি. তারিখে কলেজ অধ্যক্ষ সাফিউজ্জামান খান এই নোটিশ প্রদান করেছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত ২৪শে জুন ২০২৩খ্রি. হতে ০৭ই জুলাই ২০২৩খ্রি. পর্যন্ত মেডিকেল ভিসা দেখিয়ে ভারত ভ্রমণ করেছেন। এতে কলেজের সুনাম নষ্ট হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এমতাবস্থায় সুস্পষ্ট লিখিত বক্তব্য প্রদান করার জন্য আগামী ০৭ কর্ম দিবসের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করার জন্য অনুরোধ এবং সতর্কীকরণ করা হলো।

অধ্যক্ষ কর্তৃক দেয়া সতর্কীকরণ নোটিশ
এ ব্যাপারে জনাব আলী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, আমার স্বামী চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহকারী রেজিষ্ট্রার সোহেল আহমদ খান হার্ট এ্যাটাক করে প্রথমে ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে ছুটি নিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় স্বামীর পরিচর্চা করার জন্য আমিও সাথে যাই। সময়টি ছিল ঈদুল আযহার ছুটি এবং কলেজ অধ্যক্ষের কাছ থেকে প্রত্যয়ন পত্র নিয়েই গিয়েছি।”

অধ্যক্ষ কর্তৃক দেয়া অনুমতিপত্র
বিগত ৯ মে ২০২৩ খ্রি. কলেজ অধ্যক্ষ অনুমতি সাপেক্ষে একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, “বাংলা বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস চিকিৎসার জন্য বাহিরে যেকোন দেশে গেলে আমার কোন আপত্তি নেই।
অধ্যক্ষ নিজেই অনুমতি দিয়ে আবার নিজেই সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করায় শঙ্কায় প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর পরিবার।
এব্যাপারে জনাব আলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সাফিউজ্জামান খান বলেছেন, আমার স্বাক্ষরিত কোন ধরণের অনুমতি যদি আমি দিয়ে থাকি তা হলে উনি সেই অনুমতিপত্র আমার কাছে দাখিল করুক। আমি সেই অনুমতিপত্র দেখতে হবে। একজন সরকারি কর্মচারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যথিত বিদেশে যেতে পারেন না।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply