<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন

রূপি-টাকায় বাণিজ্য আগ্রহী ব্যবসায়ীরা, ঝুঁকির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

বাংলা কণ্ঠ ডেস্কঃ
  • শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
রূপি-টাকায় বাণিজ্য আগ্রহী ব্যবসায়ীরা, ঝুঁকির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

ভারতের বৃহত্তম ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের পরিবর্তে রূপি ও টাকায় লেনদেন সম্পন্ন করার যে নির্দেশনা দিয়েছে সেটাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।

গত মাসে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের অধীনে থাকা শাখা ব্যাংকগুলোকে মার্কিন ডলারের পরিবর্তে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের এই নির্দেশনা দেয়।

ডলারের দাম ওঠানামা করায় দু’দেশের বাণিজ্যে গতি আনতে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন উভয় দেশের জন্যই সুবিধাজনক হবে বলছেন তারা।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, যেহেতু ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি তাই এ বিষয়ে তারা এখনো কিছু ভাবছেন না।

বিশেষজ্ঞদের দাবি বলছে, দু’দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশ যেখানে ঘাটতিতে আছে সেখানে রুপি-টাকায় লেনদেন বাংলাদেশকে আরো ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

রফতানিকারকরা কেন আগ্রহী
চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ডলারের দর ২০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় দু’দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়ে।

এমন অবস্থায় শতভাগ না হলেও ভারতের সাথে বাণিজ্যের আংশিক রূপি-টাকায় লেনদেন করা হলে দু’দেশই সুবিধা পাবে বলে মনে করেন বাংলাদেশি রফতানিকারকরা।

ভারত বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি মাতলুব আহমদ বলেন, ডলারের দাম ক্রমাগত ওঠানামা করছে। দামের এই ওঠানামার কারণে বেশিরভাগ সময় আমরা লোকসানের মুখে পড়ি।

তিনি বলেন, কিন্তু বাণিজ্যের কিছু অংশ ভারতীয় রূপিতে লেনদেন করলে খরচের হিসাবটা ঠিক থাকবে। সেইসাথে ডলার ছাড়া ব্যবসার কারণে রিজার্ভে ডলারের ওপর চাপ কমবে। এদিকে উভয়পক্ষেরই সুবিধা

বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি
বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেকটাই ভারতীয় পণ্যের ওপর নির্ভরশীল।

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০০ কোটি ডলারের পণ্য ভারতে রফতানি করে। তার বিপরীতে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে এক হাজার ৬১৯ কোটি ডলারের পণ্য।

অর্থাৎ ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি এক হাজার ৪২০ কোটি ডলারের মতো।

দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ যেহেতু কম, তাই রুপি ও টাকার লেনদেনে ভারত লাভবান হলেও বাংলাদেশ চাপে থাকবেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতির কারণে বাংলাদেশ যদি ভারতের সাথে রূপি-টাকায় লেনদেনে যায়, তাহলে সেটা একপক্ষীয় মুদ্রা বা রূপি-ভিত্তিক বিনিময় কাঠামোয় উপনীত হতে পারে এবং বাংলাদেশের ওপর অধিক হারে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহারের চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

উদাহরণ হিসেবে তারা নেপাল ভারত বাণিজ্য প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

তাছাড়া এই বিপুল পরিমাণ বাণিজ্যিক লেনদেনের মতো যথেষ্ট রূপির রিজার্ভ বাংলাদেশের আছে কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছে ব্যাংকগুলো।

এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ডলার সঙ্কটের কারণে সবাই বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনের কথা ভাবছে।

ইতনি বলেন, ‘এখন ভারতের ওই ব্যাংক যে রূপিতে বাণিজ্যের কথা বলছে, আমাদের তো সে পরিমাণ রূপির রিজার্ভ নাই। তাছাড়া বাংলাদেশ আমদানি করে বেশি, রফতানি করছে কম। এই যে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে সেটার লেনদেন তো রূপিতে সম্ভব না।’

কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সিদ্ধান্তটি যেহেতু ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক- রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া থেকে নয় বরং রিজার্ভ ব্যাংকের অধীনে থাকা স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া থেকে এসেছে, সেজন্য তাদের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার কিছু নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটা যেহেতু রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যাপার না। একটিমাত্র ব্যাংকের ব্যাপার,তাদের ওই ব্যাংকের নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সুতরাং এ ব্যাপারে আমরা এখনো চিন্তা করিনি।

বাংলাদেশের ঝুঁকি কোথায়
ডলারের মতো রূপি-টাকার আন্তর্জাতিক মানও ওঠানামা করে। এটাও স্থিতিশীল নয়।

এ কারণে ব্যাংকের জন্য এই লেনদেন ঝুঁকিপূর্ণ হবে এবং ব্যাংক এই ঝুঁকির কারণে বাড়তি চার্জ রাখতে পারে।

তাই এই দু’দেশের বড় আকারে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যে যাওয়ার সুযোগ কম বলে মনে করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে ভারত বাংলাদেশ উভয়ই ভুগছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে হয় না।

তার আশঙ্কা, যদি রুপি-টাকায় লেনদেন একবার শুরু হয় তাহলে এটি শুধুমাত্র স্থানীয় পণ্যের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং বিভিন্ন সেবামূলক বাণিজ্য যেমন ভ্রমণ, চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়বে, যা বাংলাদেশকে ঝুঁকিতে ফেলবে।

আইএমএফ এর ঋণ
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি আমদানি ব্যয় মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ৩৭বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, এক বছর আগে ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ।

কিন্তু স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের ফলে সেটার ওপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

কারণ আইএমএফের সদস্য দেশগুলো সহজ ও নিরাপদ লেনদেনের জন্য কেবল পাঁচটি মুদ্রাকে স্বীকৃত দিয়েছে। সেগুলো হল ডলার, ইউরো, ইউয়ান, জাপানের ইয়েন ও পাউন্ড।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য রুপি টাকায় লেনদেনে যাওয়া ঝুঁকির সৃষ্টি করবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, আইএমএফ ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। সেক্ষেত্রে বিকল্প মুদ্রা যদি রিজার্ভে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে তাহলে সেটা ঋণ সংক্রান্ত আলোচনাতেও প্রভাব ফেলবে। এক্ষেত্রে ঋণ দেয়া বা সুদের হারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উপায় কী হতে পারে
গোলাম মোয়াজ্জেম পরামর্শ দিয়েছেন, সরকারের চেষ্টা করা দরকার ডলারের মাধ্যমে বিনিময় টিকিয়ে রাখা। ভারতীয় মুদ্রাকে কম ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে দু’দেশের উচিত হবে ডলারের ব্যবহার কিভাবে কমিয়ে আনা যায় সে বিষয়ে ভাবা।

তিনি এটাও বলেন, বাংলাদেশের এখন যে অবস্থায় রয়েছে সেক্ষেত্রে সীমিত আকারে লেনদেন হতে পারে বা বাংলাদেশ পরীক্ষামূলকভাবে রুপি-টাকায় বাণিজ্য করে দেখতে পারে। সেক্ষেত্রে ফলাফল কী হয় সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তবে মুদ্রার দরে ওঠানামা থাকায় আমদানিকারণ রফতানিকারক কতটা বাণিজ্য করতে চাইবেন, ব্যাংকগুলো এই ঝুঁকি কতটা নিতে চাইবে, সেটাও দেখার বিষয়।

সম্প্রতি চীনের মুদ্রা ইউয়ানে অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ ছাড়া রাশিয়ার সাথে টাকা-রুবলে লেনদেনেরও আলোচনা চলছে। এখন রূপির বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসে কি না সেটাই দেখার বিষয়।

সূত্র : বিবিসি

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
<?php global $themesbazar; ?> <!------------ Footer Section Start --------------> <section class="footer-section"> <div class="container"> <div class="row"> <div class="col-md-12 col-sm-12"> <div class="footer-menu"> <?php wp_nav_menu( array('theme_location' => 'footermenu', )); ?> </div> </div> </div> <div class="row foot"> <div class="col-md-3 col-sm-3 foot-logo"> <a href="<?php bloginfo(home); ?>"><img src=" <?php echo $themesbazar['logo_upload']['url']?>" alt="Logo" width="100%"></a> </div> <div class="col-md-5 col-sm-5"> <div class="editorial"> <?php echo $themesbazar['editorial']?> </div> </div> <div class="col-md-4 col-sm-4"> <div class="footer-social"> <ul> <li><a href="<?php echo $themesbazar['ftr-social-link']['facebook-url']; ?>" class="fa fa-facebook"></a></li> <li><a href="<?php echo $themesbazar['ftr-social-link']['twitter-url']; ?>" class="fa fa-twitter"></a></li> <li><a href="<?php echo $themesbazar['ftr-social-link']['googleplus-url']; ?>" class="fa fa-google"></a></li> <li><a href="<?php echo $themesbazar['ftr-social-link']['linkedin-url']; ?>" class="fa fa-linkedin"></a></li> </ul> </div> </div> </div> </div> </section> <?php get_template_part('include/root'); wp_footer(); ?> <p class="has-text-align-center"> Designed by: <a href="https://sylhethostbd.com/"><span style="color:#ff0c0c;"><strong>Sylhet Host BD</strong></span></a></p> </body> </html>