
নবীগঞ্জ পৌর এলাকার কেলি কানাইপুর গ্রামের সংখ্যালঘু ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে হামলা, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজন আহত হয়ে বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত রবিবার ১১ মে রাত ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে নবীগঞ্জ বাজারের জে.কে স্কুল রোডে অবস্থিত “ভাই ভাই স্টোর” নামক দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ৯নং বাউসা ইউনিয়নের বাউসা গ্রামের বাসিন্দা সুজন মিয়া (৪৫), জুনেদ মিয়া (৩৫), জসীম মিয়া (৪৫), মইনুল মিয়া (৪০), ফুল মিয়া (৪৭), রুবেল মিয়া (৩০) এবং সবুল মিয়া (৩০) এর বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী রাজন সরকার।
অভিযোগে বলা হয়, কলা কেনাবেচা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জের ধরে স্থানীয় সুজন মিয়া (৪৫) রাজন সরকারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাকে মারধর করেন। এরপর আরও ৬ জনকে ডেকে এনে রাজন সরকারকে খুঁজতে থাকেন।
ভুক্তভোগী রাজনের অনুপস্থিতিতে আসামীরা তার চাচাতো ভাই জগিন্দ্র সরকারের দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে, যার ফলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং তার দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এ সময় তাকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে এনে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। হামলার সময় ১নং অভিযুক্তের হাতে থাকা কলা কাটার চাকু দিয়ে জগিন্দ্র সরকারের বুকে আঘাত করার চেষ্টা করা হলে, তিনি সরে যাওয়ায় তার কানের পাশে গুরুত্বর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ফুল মিয়া ক্যাশ বাক্সের তালা ভেঙে দোকানে রাখা চিকিৎসা ও পণ্যমাল ক্রয়ের জন্য সংরক্ষিত ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
আহত জগিন্দ্র সরকারকে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রæত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply