<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বাংলাদেশে সহিংসতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২ জন সেনেটর ও কংগ্রেসম্যান।
চিঠিতে তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ছাত্রদের বিক্ষোভ দমনে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করেছে। সহিংসতা ও সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
চিঠিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা বাংলাদেশের গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে গত জানুয়ারিতে একটি ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন করেছে।
এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি নির্বাচন বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন বয়কট করেছিল। এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিরোধী দলের বিক্ষোভের পর ঢালাওভাবে গ্রেফতার অব্যাহত রাখে সরকার।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে ছাত্র বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জোরাল সহিংসতা করেছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরে পুলিশ, বিক্ষোভকারী, বিরোধী কর্মী ও সরকার-পন্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত হয়েছে। এতে ১৭০ জন নিহত ও কয়েক হাজার আহত হয়েছে।
ছাত্র বিক্ষোভের জবাব দিতে গিয়ে সরকার ইতোমধ্যে ‘নিষেধাজ্ঞায় থাকা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে’ ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে পুলিশ। এছাড়া সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কঠোর কারফিউ ও ‘দেখামাত্র গুলি করার’ নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। বিক্ষোভ দমনের জন্য ইন্টারনেটও বন্ধ করা হয়েছে।
এসব ঘটনার কথা উল্লেখ করে তারা চিঠিতে লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সকল সহিংসতার নিন্দা করতে হবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মতো কর্মসূচি পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।’
একইসাথে বাংলাদেশের বিক্ষোভ দমনে যে সব সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।
বাংলাদেশের এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরকে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেয়া হয় ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে অংশীদার হতে হবে। যারা বাংলাদেশী জনগণের একটি প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক সরকারের অধিকারের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।’
চিঠিতে আরো যা বলা হয়েছে
এতে বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের বিষয়টি উল্লেখ করে মার্কিন সিনেটর ও কংগ্রেস-ম্যানরা বলেছেন, আটকদের মধ্যে কেউ কেউ মুক্ত হলেও এখনো অনেকেই কারাগারে রয়েছেন।
এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মী এবং সরকারবিরোধী সমালোচকরা অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
বর্তমানে বাংলাদেশে হয়রানি, নজরদারি কিংবা শারীরিক আক্রমণ চালানোর পাশাপাশি কঠোর ডিজিটাল সেন্সরশিপ অব্যাহত রয়েছে বলেও বলা হয় ওই চিঠিতে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশে শ্রমআইন ব্যবস্থার উন্নতি করতে ব্যর্থ হওয়া না পারার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ২০২১ সালের বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র্যাব) ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় এই চিঠিতে।
চিঠিতে যে সব মার্কিন সিনেটর স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন অ্যাডওয়ার্ড জে মার্কি, ক্রিস ভ্যান হোলান, টাম্মি বাল্ডিন, জেফরি এ মার্কলি, ক্রিস্টোফার এস মারফি, টিম কাইন, রিচার্ড জে ডারবিন।
এছাড়া মেম্বার অব কনগ্রেসম্যানদের মধ্যে এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন জেমস পি ম্যাক গভার্ন, উইলিয়াম আর কিয়েটিং, গ্রেস মেঞ্জ, সেথ মল্টান, লরি ট্রাহান, জো উইলসন, জেমস সি মোলান, ডিনা টিটাস, জিরাল্ড ই কনলি, গাবে আমো, আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, ইলহান ওমর, নাইডিয়া ভেলাজকুয়েজ, ডেনিয়েল টি কিলডি ও বারবারা লি।
এর আগে শান্তিতে নোবেল জয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর ও কনগ্রেসম্যানরা।
সূত্র : বিবিসি
Leave a Reply