<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

৩০ মার্চ জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা বাংলা ট্রিবিউন একটি অতীব প্রশংসনীয় দায়িত্ব পালন করেছে। পত্রিকাটি ৫০ জন রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করেছে, যাদের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মোস্তাফা জব্বার, এ এইচ মাহমুদ আলী, ডা. আমজাদ হোসেন, কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, কামরুল হাসান খান, গোলাম আরিফ টিপু, গোলাম দস্তগীর গাজী, জাকারিয়া পিন্টু, জেড আই খান পান্না, নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, পংকজ ভট্টাচার্য, মফিদুল হক, মহিউদ্দিন আহমেদ, মামুনুর রশিদ, মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মাহবুব উদ্দিন (এসপি মাহবুব), মুনতাসির মামুন, মোজাম্মেল হক, ড. রওনক জাহান, রথীন্দ্রনাথ রায়, রাশেদ খান মেনন, রোকেয়া কবির, লুবনা মরিয়ম, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক (এই প্রবন্ধের লেখক), শাহরিয়ার কবির, শাহীন সামাদ, সুলতানা কামাল, সেলিনা হোসেন, সৈয়দ হাসান ইমাম, হারুন অর রশিদ, হারুন হাবিব, মোজাম্মেল হক, রফিকুল আলম, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ, শাহজাহান সরদার, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, শফিকুল্লাহ, সুলতান মাহমুদ সিমন, আনোয়ার হোসেন খান, আফসান চৌধুরী, আবুল বারাক আলভী, এ কে এম আতিকুর রহমান, এম আনোয়ার হোসেন, এম এ হাসান, খালেকুজ্জামান।
এরা সকলেই অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত। বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ, সম্পাদক জুলফিকার রাসেল, নগদ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশু। এ সময় অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয় এবং ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে যুক্ত হন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।
অন্যদিকে তার আগের দিনই অর্থাৎ ২৯ মার্চ লন্ডনে হয়ে গেলো এক মহা ষড়যন্ত্র প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননার নামে। এ ব্যাপারে মুখ্য ব্যক্তিটির নাম হাসনাত হোসেন। বহুদিন ধরে বিলেত প্রবাসী এই লোক তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন ১৯৭০ সালে, তাই ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার মতো যথেষ্ট বয়স হওয়া সত্ত্বেও তিনি মুক্তিযুদ্ধে যাননি। সেখানেই এক বিরাট প্রশ্ন, যে ব্যক্তি নিজে মুক্তিযুদ্ধে যাননি তিনি কোন মুখে প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দেন। তারেক জিয়ার উপদেষ্টা বলে পরিচিত এই ব্যক্তি সে সময় প্রবাসে ছিলেন না বলে প্রবাসে কারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তা তার জানারও কথা নয়। এই হাসনাত সাহেবের অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন বিলেতে অতি পরিচিত জামায়াত নেতা আবু তাহের সিঙ্কাপনি (পবির্ততি নাম কে এম আবু তাহের চৌধুরী। ) সে ব্যক্তিও মুক্তিযুদ্ধে যায়নি।
তদুপরি সে এমন এক রাজনৈতিক দলের সদস্য যে দলকে আমাদের আদালত যুদ্ধাপরাধী দল বলে অভিহিত করেছেন। অনুষ্ঠানের পূর্বে এই জামাতি নেতা আবু তাহের গণমাধ্যমকে বলেছে, সে নাকি বহু গবেষণা করে প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করেছে। তালিকা যখন জামায়াত নেতার হাতে তৈরি, তখন সে তালিকার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক। ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ নামের জামাতের তৈরী যে সংস্থা এটির আয়োজন করেছে, জামায়াত নেতা আবু তাহের সিঙ্কাপনি তার সহ-সভাপতি।
এছাড়া আয়োজকদের মধ্যে আরও ছিলেন শামসুল আলম লিটন নামক এক ব্যক্তি, যিনি বিএনপি সরকারের সময় বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের অতিরিক্ত প্রেস সচিব ছিলেন। আরও ছিলেন এনাম আহমেদ নামে একজন, যিনি খালেদা জিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। হাসনাত সাহেব শুরুই করেছেন এই মর্মে একটি বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার করে যে সম্মাননা দেবে ব্রিটিশ হাউজ অব কমন্স। আসলে এটি মোটেও হাউজ অব কমন্সের সম্মাননা ছিল না, তিনি স্টিফেন টিমস নামক জনৈক পার্লামেন্ট সদস্যের সাহায্যে হাউজ অব কমন্সের একটি ঘর ভাড়া করেন, যা একজন পার্লামেন্ট সদস্যের সহায়তায় যে কেউ করতে পারেন, এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন হাউজ অব কমন্সই সম্মাননা দিচ্ছেন। এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন্নবী চৌধুরী প্রথমে প্রধান অতিথি হতে সম্মত হলেও অভিভাবকতুল্য আব্দুল গাফফার চৌধুরী সাহেব ড. নুরুন্নবী সাহেবকে সব জানানোর পর তিনি আর সেই অনুষ্ঠানে যাননি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিমন্ত্রণ করা হলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে এ মর্মে ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় যে ডা. জাফরুল্লাহকে হাউজ অব কমন্সই নিমন্ত্রণ করেছে সম্মাননা নেওয়ার জন্য। এরপর গাফফার চৌধুরী সাহেব-সহ অন্যরা লেখালেখি করলে আসল কথা ফাঁস হয়ে গেলেও হাসনাত সাহেব অনুষ্ঠান চালিয়ে যান। তার তালিকায় ১০০ ব্যক্তির মধ্যে মৃতের সংখ্যাই বেশি। তবে জীবিতদের মধ্যে স্থান পেয়েছে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির নেতা শামসুল আলমসহ বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধবিরোধী। একমাত্র জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছাড়া যাদের তথাকথিত সম্মাননা দেওয়া হয়েছে তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি। অনুষ্ঠানে আওয়ামী তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকারের সাথে সম্পৃক্ত কেউই যাননি। যে ৪০ জন ব্যক্তি গিয়েছিল তারা সকলেই জামায়াত-বিএনপি ঘরনার।
অনুষ্ঠান তৈরিতে পর্দার পেছনে থাকাদের মধ্যে ছিল যুদ্ধাপরাধে সাজা পাওয়া, লন্ডনে পালিয়ে থাকা চৌধুরী মইনউদ্দিন, কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমের লন্ডনে পালিয়ে থাকা পুত্র এবং বেশ কিছু জামায়াত-বিএনপির লোক। এ ব্যাপারে গাফফার সাহেব যুক্তরাজ্যে আমাদের রাষ্ট্রদূত সাঈদা মুনা তাসনিমার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ ধরনের সভা ভঙ্গ করার কোনও ক্ষমতা তার নেই, তবে যদিও তাকে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে, তিনি সেখানে যাবেন না, কাউকে পাঠাবেন না, কোনও বাণী দেবেন না, যে অঙ্গীকার তিনি পালন করেছিলেন। তিনি আরও বলেছেন, এই হাসনাতের সাথে তার গত তিন বছরে কোনও যোগাযোগ নেই। এ অনুষ্ঠান বন্ধ করার ক্ষমতা তার ঠিকই ছিল না, কিন্তু এটির যারা আয়োজক তারা যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিলেতে প্রচারণায় ব্যস্ত একটি বিশেষ গোষ্ঠী, এ কথাটি তিনি এমপি স্টিফেনকে জানাতে পারতেন।
তাছাড়াও ৩০ মার্চ জামায়াত নেতা আবু তাহের সিঙ্কাপনি ডা. জাফরুল্লাহকে লন্ডন এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট নামক একটি জায়গায় সংবর্ধনা দেয়, যে জায়গাটি জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। অথচ সম্প্রতি বাংলাদেশের যে সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দল যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন, তাদের অনুষ্ঠানটির জন্যও লন্ডনের বাংলাদেশ দূতাবাস একই স্থান নির্ধারণ করেছিল, যদিও পরে স্থান পরিবর্তন করা হয়েছিল, যখন তারা জানলেন সে স্থানে একই দিন একই সময় অন্য একটি কামরায় ডা. জাফরুল্লাহকেও সংবর্ধনা দিচ্ছে জামায়াত নেতা। প্রশ্ন উঠেছে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাস কেন এমন একটি জায়গায় সংস্কৃতি বিষয়ক দলের জন্য বুক করেছিলেন যেটি জামায়াতের অন্যতম ঘাঁটি বলে সবাই জানেন। লন্ডনের হাউজ অব কমন্সের রুম ভাড়া করা অনুষ্ঠানের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক তথাকথিত দাতব্য সংস্থা “মুসলিম এইড”, যে সংস্থা বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামির ধ্বংসাত্মক কাজে সহায়তার জন্য টাকা পাঠায় বলে বিলেতের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়াও পাকিস্তানের জামায়াতের দাতব্য সংস্থা ‘ইসলামিক রিলিফ’ এবং বাংলাদেশ জামায়াতের সংগঠন “গ্লোবাল এইড ট্রাস্ট”ও অর্থ দান করেছে। অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা হাসনাত হোসেন বিলেতের অত্যন্ত পরিচিত জন, যিনি বিলেতের বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে টকশোর মাধ্যমে বাংলাদেশের বর্তমান মুক্তিযুদ্ধপন্থী সরকার, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং এমনকি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধেও চরম আপত্তিকর কথা বলে থাকেন। এ অনুষ্ঠানে তাকে যারা সহায়তা করেছে তারাও জামায়াতের সুপরিচিত জন, তাই প্রশ্ন উঠেছে এটি কি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এক কঠিন ষড়যন্ত্র কিনা।
অনুষ্ঠানের আয়োজকবৃন্দ এবং বিশেষ অতিথি অর্থাৎ ডা. জাফরুল্লাহর ঢাকা থেকে লন্ডন ভ্রমণ, সবকিছু বিবেচনায় নিলে এই অভিযোগ খণ্ডন করা সহজ নয় যে বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে অসাংবিধানিকভাবে উৎখাত করার জন্য বহির্বিশ্বে যেসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এই অনুষ্ঠানটি তারই অংশ। তাই সরকারের, বিশেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা।
যুক্তরাজ্যে আমাদের রাষ্ট্রদূতেরও গুরুদায়িত্ব রয়েছে কিছু করার। তিনি বা তারা শুধু নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকলে চলবে না। মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের এই সরকারকে বেআইনিভাবে উৎখাতের যে ষড়যন্ত্র চলছে, তার বেশিরভাগই হচ্ছে বিদেশ থেকে। হাসনাত সাহেবের সাথে তার তিন বছর যোগাযোগ নেই বলেই হাইকমিশনার দায় এড়াতে পারেন না।
তার ওপর আমার যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। তিনি আমার ছোট বোন তুল্য, এবং ছোট বোনের মতোই তিনি আমার স্নেহধন্য। তার নিষ্ঠা এবং দক্ষতা নিয়েও আমার প্রশ্ন নেই। কিন্তু তারপরও জাতীয় স্বার্থে কথাগুলো বলতে বাধ্য হচ্ছি। সেই অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ এমপি যখন দেখলেন সেখানে বাংলাদেশ দূতাবাস বা সরকারের কেউ নেই, সরকার সমর্থক রাজনৈতিক দলেরও কেউ নেই, সেখানে স্বভাবতই সেই এমপি সাহেবের মনে প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে কারা এবং কাদের জন্য এই অনুষ্ঠান। অথচ এ কথাটি অনুষ্ঠানের আগেই আমাদের রাষ্ট্রদূত বা দূতাবাস উক্ত এমপি সাহেবকে জানিয়ে দিতে পারতেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা আবু তাহের সিঙ্কাপনি অতীতে ‘দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে অ্যান্ড আয়ার’-এর মুখপাত্র ‘মাসিক দাওয়াত’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন, ১৯৮৯-এ তিনি হন নির্বাহী সম্পাদক এবং ১৯৯০ সালে সম্পাদক হন। পূর্বে এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যুদ্ধাপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত, বিলেতে পালিয়ে থাকা চৌধুরী মইনউদ্দিন। পত্রিকাটি ১৯৯২ সালে বন্ধ হয়ে যায়। আয়োজনের অন্য স্পন্সর, এনাম আলি, অতি ঘনিষ্ঠজন হিসাবে খালেদা জিয়ার লন্ডন ভ্রমণকালে তার সম্মানে সংবর্ধনা দিয়েছেন। এসব কথা লন্ডন প্রবাসী সবারই জানা। তাই আমাদের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব ছিল ব্রিটিশ এমপি’র নজরে সে কথাগুলো আনা। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, সে অনুষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য কারও অজানা থাকার কথা নয়। অনেকে মনে করছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী অন্যের টিকিটে লন্ডন ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে সম্ভবত তারেক জিয়ার সাথে দেখা করার সুযোগটি হাতছাড়া করেননি। এ ব্যাপারেও খোঁজ-খবর নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
লেখক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।
Leave a Reply