
নবীগঞ্জে পুরাতন মসজিদ এর তপশীল জেলা-সাবেক সিলেট হাল হবিগঞ্জ, থানা-নবীগঞ্জ, মৌজা-সাদুল্যাপুর, জে, এল নং-৫৩, খতিয়ান নং-১, আর, এস দাগ নং- ২২৯, মোয়াজী- ০৬ শতাংশ, শ্রেণি-মসজিদ এর
পুনঃনির্মাণের নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের হাজী ঈসমাইল মিয়ার পুত্র আব্দুল আহাদ এবং একই গ্রামের হাজী আবুল মনসুরের পুত্র ইকবাল মিয়া গংদের বিরুদ্ধে ।
এ ব্যাপারে উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামবাসী পক্ষে মতিউর রহমান বাদী হয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে গতকাল (৩০ জানুয়ারী) মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায় কুর্শি ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা আব্দুল আহাদ, পিতা-মৃত হাজী ইসমাইল, ইকবাল মিয়া, পিতা- হাজী আবুল মনছুর গংরা তাহিরপুর পুরাতন জামে মসজিদ মহল্লার কাউকে না জানাইয়া ব্যাক্তিগত স্বার্থে অন্যান্য লোকজনের যোগসাজশে ২লক্ষ টাকার মূল্যের মসজিদের আসবাবপত্র নামমাত্র মুল্যে ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি করে দেন।
উল্লেখিত ব্যক্তিগন কোনরূপ সভা না করে কাউকে দাওয়াত না করিয়া কোন কমিটি তৈরি না করে এমনকি মোত্তাওয়ালি নির্ধারণ না করে ব্যক্তিগত ভাবে মসজিদের নামে অর্থ সংগ্রহ করিয়াছেন। উক্ত মসজিদটি নতুনভাবে নির্মিত হওয়া একান্ত প্রয়োজন, কিন্তু আইনগত বৈধ কোন কমিটি না থাকার কারণে মসজিদ নির্মাণকে পুঁজি করে কয়েক ব্যক্তি অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছেন।
ফলে গ্রাম ও মহল্লাবাসীর মধ্যে এই মসজিদ নির্মাণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মসজিদটি নির্মানের পূর্বে মোত্তাওয়ালি নিয়োগ সহ একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে অথবা নির্বাহী কর্মকর্তার মহোদয়ের নিজ
তত্ত্ববধানে মসজিদ নির্মাণ করার আহবান জানান অভিযোগকারী।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীগণের অপূরণীয় ক্ষতির স্থল এবং মসজিদ নির্মাণ নিয়া গ্রামবাসীগণের মধ্যে শান্তিভঙ্গের সম্ভবনা রয়েছে। উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে মসজিদটি নির্মানের পূর্বে মোত্তাওয়ালি নিয়োগ সহ একটি কমিটি গঠন করে মসজিদ নির্মাণ প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহিরপুর গ্রামবাসী।
Leave a Reply