1. sm.khakon@gmail.com : bkantho :
এস্টারিকস জাতের আলু চাষে বেলালের বাজিমাত - বাংলা কণ্ঠ নিউজ
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

এস্টারিকস জাতের আলু চাষে বেলালের বাজিমাত

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

নিভৃত পল্লীর বেলাল হোসেন ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। সম্প্রতি অবসরে এসে নিজেই সেজেছেন কৃষক। প্রথমবারে দুই একর জমিতে বারি-২৫ (এস্টারিকস) জাতের আলু চাষে তাক লাগিয়েছেন এলাকার কৃষকদের।

দুই একর জমিতে ৫ শতাধিক মণ আলু ফলিয়ে ৩ লক্ষাধিক টাকা লাভ করেছেন এ কৃষক। বেলাল গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের মুরারীপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব উদ্দিনের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষি বিভাগে বেলাল হোসেন চাকরি জীবনে একাধিকবার বিভাগীয় সম্মাননা পেয়েছেন। কর্ম এলাকার কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে অধিক ফলনের সহযোগিতা দেয়ায় এ সম্মাননা পান তিনি।

আর এখান থেকে স্বপ্ন বুনছিলেন নিজের জমিতে উন্নত জাতের ফসল নিয়ে এলাকার কৃষকদের উৎসাহিত করবেন। ঠিক যেমন স্বপ্ন তেমন কাজ। ধানের রাজ্যে আলু উৎপাদনে এলাকাজুড়ে সাড়া ফেলছেন বেলাল হোসেন। এরই মধ্যে তার আবাদ করা আলু দেখতে আসছেন শত শত কৃষক। আগামী বছরে তারাও আলু চাষবাদের পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক কৃষক।

সরেজমিন দেখা যায়, কৃষক বেলাল হোসেনের দুই একর জমিতে অধিক পরিমাণে ফলা আলু সংগ্রহের সময় উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা গেছে। বিঘাপ্রতি আলু উৎপাদন হয়েছে ৯০ মণ। এতে সার-শ্রমিকসহ খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী ৪ লক্ষাধিক টাকার আলু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় প্রত্যেকটি আলুর ওজন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম হয়েছে। এটি বাম্পার ফলন বলে এ কৃষকের দাবি।
স্থানীয় কৃষক আলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের ইউনিয়নে কেউই আলু আবাদ করেন না। ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন করেন। এ বছর বেলাল হোসেনের আলুর আবাদ দেখে অবাক হয়েছি। এত বড় বড় আকারের আলু আগে কখনো দেখিনি। ইনশা আল্লাহ আগামী বছর থেকে আমিও এ জাতের আলু চাষ করব।

কৃষক বেলাল হোসেন জানান, নিজে অর্থনৈতিকভাবে চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য এস্টারিকস জাতের আলু আবাদ করেছেন। অধিক ফলনও পেয়েছেন। স্বল্প খরচে এ আবাদ কেউ করলে অনায়াসে লাভবান হবেন। তিনি আরো বলেন, আমার দুই একর জমির উৎপাদিত আলু কোল্ডস্টোরে রাখা হচ্ছে। আগামী রবি মৌসুমে বীজ হিসেবে কৃষকদের মাঝে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হবে। যাতে করে বেতকাপা এলাকাটি আলুর রাজ্যে পরিণত হয়।

পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কাওয়াসার মিশু বলেন, বারি-২৫ জাতের আলু আবাদে অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব। বাজারে চাহিদাও ভালো রয়েছে। যা কৃষক বেলাল হোসেন আমাদের উদাহরণ।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD