<!DOCTYPE html> <html> <?php global $themesbazar; ?> <head><meta http-equiv="Content-Type" content="text/html; charset=utf-8"> <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1"> <link rel="profile" href="http://themesbazar.com"> <title><?php wp_title(''); ?></title> <link rel="icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <link rel="shortcut icon" href="<?php echo $themesbazar['favicon']['url']?>" type="image/x-icon" /> <?php $image = wp_get_attachment_image_src( get_post_thumbnail_id( $post->ID ), 'single-thumbnail' ); ?> <meta property="og:title" content="<?php the_title(); ?>" /> <meta property="og:description" content="" /> <meta property="og:image" content="<?php echo $image[0]; ?>" /> <meta property="og:video" content="" /> <meta property="og:video:width" content="560" /> <meta property="og:video:height" content="340" /> <meta property="og:video:type" content="application/x-shockwave-flash" /> <!-- head section --> <!-- skin --> <link rel="stylesheet" href="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/skin/skin.css"> <!-- CDNBye hls.js --> <script src="https://cdn.jsdelivr.net/npm/cdnbye@latest/dist/hls.light.min.js"></script> <!-- flowplayer --> <script src="https://releases.flowplayer.org/7.2.6/flowplayer.min.js"></script> <?php wp_head();?> <?php include('css/dynamic-css.php'); ?> </head> <body> <!------------- Archive start ---------------> <script src="https://code.jquery.com/jquery-1.12.4.js"></script> <script src="https://code.jquery.com/ui/1.12.1/jquery-ui.js"></script> <script type="text/javascript"> $(function() { $("#datepicker").datepicker({ dateFormat: "yymmdd", changeMonth: true, changeYear: true }).val() }); </script>

সোমবার বঙ্গভবনে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এই নৈশভোজে স্বভাবসুলভ হাস্যরসে পুরনো দিনের কথার ঝাঁপি খুলে বসেন তিনি। এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কিল খাওয়ার কথাও উঠে আসে তার স্মৃতিচারণে।
এই নৈশভোজে বিভিন্ন গণমাধ্যমের হয়ে সরাসরি খবর সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন বিভিন্ন সংবাদপত্র, টেলিভিশনের কর্তাব্যক্তিরা। রাষ্ট্রপতির সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা প্রতিবেদকরাও ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এই নৈশভোজে অংশ নেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমানসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও ছিলেন আমন্ত্রিত।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, একুশে টিভির সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি অংশ নেন এই নৈশভোজে, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আয়োজনের দিক থেকে সাংবাদিকদের এই অনুষ্ঠানটি ছিল অন্য যে কোনোটির ব্যতিক্রম। এই নৈশভোজের খাদ্যতালিকা রাষ্ট্রপতি নিজে তৈরি করেছেন। প্রথমে গতানুগতি মেন্যু ঠিক হলেও তা বদলে দেন আবদুল হামিদ।
খাদ্য তালিকায় ছিল হাওরের আইড় মাছ, গুলশা টেংরা; তার সঙ্গে ছিল রূপচাঁদা মাছ, সবজি, মুগ ডাল, খাসির মাংস, সাদা ভাত। আর শেষে দই-মিষ্টি।
রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে নানা কথায় মেতে ওঠে সাংবাদিকরা। রাষ্ট্রপতির তার সংসদে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের সময় পরিচিত সাংবাদিকদের পেয়ে মেতে ওঠেন স্মৃতিচারণে। সাংবাদিকদের সঙ্গে ছবিও তোলেন তিনি।
টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে আসীন আবদুল হামিদ তার আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এটা কথার নয়, আমি মন থেকেই বলছি, আপনারা আসাতে আমি খুব আনন্দিত হয়েছি।”
‘বঙ্গবন্ধু কিল মারছিল’
বঙ্গভবনের দরবার হলে নৈশভোজের আগে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণও অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পড়লেও এই আয়োজনে নিজের মত করেই বক্তব্য দিয়েছেন আবদুল হামিদ।
১৯৭০ সালের গণপরিষদ নির্বাচনে সদ্য হওয়ার থেকে স্পিকার, সংসদ উপনেতার দায়িত্ব পালনের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে আবদুল হামিদ বলেন, যখন প্রথম নির্বাচনে (১৯৭০ সালে) লড়েন, তখন তিনিই ছিলেন বিজয়ীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদে রিকশা নিয়ে ঢোকার কথাও বলেন আবদুল হামিদ।
“এমপিরা গাড়ি নিয়ে সংসদে যায়। আমি প্রথমবার রিকশা নিয়ে গেছিলাম। আটকাইয়া দিছিলো। আমি বলেছিলাম, এমপি সাহেব যদি গাড়ির ড্রাইভার নিয়ে যেতে পারে তবে আমার রিকশার ড্রাইভার নিয়ে কেন যেতে পারব না।”
রিকশা নিয়ে যেতে না দেওয়ায় সেই সময় সংসদের বিশেষ অধিকার কমিটিতে অধিকার ক্ষুন্নের নোটিস দিয়েছিলেন আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, সেই নোটিস তুলে নিতে তৎকালীন প্রধান হুইপ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন (বর্তমানে বিএনপি নেতা) অনুরোধ করলেও তা প্রত্যাহার করেননি তিনি।
পরে হুইপ রাফিয়া আক্তার তাকে জানান, বঙ্গবন্ধু তাকে সত্যি ডেকেছেন।
আবদুল হামিদ বলেন, “প্রথমে বিশ্বাস করি নাই যে বঙ্গবন্ধু ডাকছে। পরে গেলাম। গিয়ে জিজ্ঞাস করল, নোটিস দিছি কি না? কইলাম দিছি। উডাইতে বললেও কইছি তুলুম না। পরে পিডের মধ্যে দিছে একটা কিল। দিয়া কইছে, তুই তোল আমি দেখতাছি।”
আবদুল হামিদ জানান, পরে তিনি ৫ হাজার টাকা নিলামে সেনাবাহিনীর পরিত্যক্ত একটি গাড়ি কেনেন।
Leave a Reply