১৮ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে গাজায় ইসরাইলী গণহত্যার প্রতিবাদে লন্ডনের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে শত শত প্রতিাদকারী সমবেত হন সেন্ট্রেল লন্ডনের নিউ স্কটল্যাড ইয়ার্ডের সামনে। জুইশ এন্টি জায়োনিজম (আই..জে.এ.এন) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ গাজায় গণহত্যার জন্য যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইসরালী রাষ্ট্রদূত জিপি হাটোভেলিকে গ্রেফতারের দাবী জানান। গাজায় অবস্থিত আহলি ব্যাপটিষ্ট হাসপাতালে ইসরাইলী বোমা হামলার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন চলমান ইসলাইলী সামরিক অভিযানে সম্পুর্ণ এবং আংশিকভাবে ধ্বংশ হয়েছে ৩৬টি হাসপাতাল এটি ছিল সর্বশেষ।
বিক্ষোভকারীরা বলেন ফিলিস্তিনী জনগোষ্ঠীকে নির্মুল করার উদ্ধেশ্যে ইসরাইল একের পর এক মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বর্বরোচিত হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেনা নারী , শিশু, বৃদ্ধ কেউই। হাসপাতাল শিক্ষা প্রতিষ্টান কোন কিছুই বাদ পড়ছেনা হামলা থেকে । ভয়াবহ হামলার কারনে সেখানে ত্রান কর্মিরা যেতে পারছেনা, পৌঁছানো চিকিৎসা সামগ্রী ও জরুরী ত্রান সামগ্রী। আমেরিকা কানাডা, যুক্তরাজ্য আয়ারল্যান্ড , বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রতিটি দেশের মানবতাবদিরা রাস্থায় নেমে এর বিরুদ্ধে প্রতিদিনই বিক্ষোভ করছে।
ব্রিটেনের ম্যালটি ক্যালচারাল সোসাইটির ধর্মবর্ন নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ এক কাতারে রাস্তায় নেমে এসেছে। প্রতিবাদকরীরা যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরালী সমর্ণ বন্ধ ও লন্ডনের রাজপথে প্রতিবাদ কালীদের উপর পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবী জানিয়ে বলেন অভিলম্ভে লন্ডনে নিযুক্ত ইসরাইলী রাষ্ট্রদূতকে গ্রেফতার করুন নাহয় সকল ইসরালী ডিপলমেটকে ব্রিটেন থেকে বহিস্কার করুন।
আমাদের দাবী না মানলে আমরা কঠিণ কর্মসূচী দিয়ে লন্ডন নগরীকে অচল করে দেব। এসময় প্রদিবাদকারীরা ফিলিস্তিনী পতাকা ও বিভিন্ন ধরনের প্লেকাড বহন করে। এই প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষ থেকে ‘‘বেঙ্গলী ফর প্যালেইস্টাই’’ ব্যানারে একটি দলও অংশ নেন। এদের মধ্যে মধ্যে ব্রিটেনের বেঙ্গলী কমিউনিটির আনসার আহমেদ উল্লাহ, শহীদ আলী, শফিক আহমদ, রাজন উদ্দিন জালাল, নূরুদ্দিন আহমদ, রইছ আলী, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আহমেদ ফখর কামাল, জাভেদ আহমদ, জামাল আহমেদ খান সহ বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ বাংলাদেশীকে মিছিল সমাবেশের অগ্রভাগে দেখা যায়।