মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রথমবারের মতো টেস্ট বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো জানসেন। তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানেই তাকে সরিয়ে শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক।
কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে দুই ইনিংসে ৭২ রানে ৬ উইকেট ও ৬৫ রানে ৩ উইকেট নেন স্টার্ক। যদিও ম্যাচটি ১৭৬ রানে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খুইয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছেন এই পেসার।
দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হারমারেরও বড় অগ্রগতি হয়েছে। তৃতীয় টেস্টে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে ১০ উইকেট নেয়া এই স্পিনার ৯ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন সপ্তম স্থানে। তার রেটিং পয়েন্ট ৮১৭। দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো স্পিনারের এর চেয়ে বেশি রেটিং ছিল শুধু হিউ টেফিল্ডের—১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৮৯৫।
অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন জানসেন। তৃতীয় স্থানে উইয়ান মাল্ডার এবং পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন হারমার। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা, চতুর্থ বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিরপুর টেস্টের পারফরম্যান্সও জায়গা পেয়েছে সাপ্তাহিক হালনাগাদে। আট উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোমেল ওয়ারিকান ৯ উইকেট নিয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে ৩০তম স্থানে উঠেছেন।
বাংলাদেশের নাঈম হাসান চার ধাপ এগিয়ে ৪৭তম এবং শরিফুল ইসলাম তিন ধাপ এগিয়ে ৫৪তম হয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেজও ছয় ধাপ এগিয়ে ৬৩তম স্থানে উঠে এসেছেন।
টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় দক্ষিণ আফ্রিকার উইয়ান মাল্ডার দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৫ রান করে সাত ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ১৭তম স্থানে উঠেছেন। রায়ান রিকেলটন ১০১ রান করে ২৫ ধাপ এগিয়ে ২৩তম এবং মার্কস অ্যাকারম্যান দুই ইনিংসে ৯৫ ও ৬২ রান করে ১২৯ ধাপ এগিয়ে ৬৯তম হয়েছেন।
ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও এসেছে পরিবর্তন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে অপরাজিত ১২৭ রানের ইনিংস খেলা পাকিস্তানের ফখর জামান ৯ ধাপ এগিয়ে ৩৭তম স্থানে উঠেছেন।
শ্রীলঙ্কার পাভান রথনায়েকে ৭৭ রান করে ২০ ধাপ এগিয়ে ১৬তম অবস্থানে আছেন। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৩২ বলে ১৬৭ রান করা ইংল্যান্ডের বেন ডাকেট উঠে এসেছেন ক্যারিয়ারসেরা ষষ্ঠ স্থানে।
ওয়ানডে বোলারদের তালিকায় ৪৪ ধাপ এগিয়েছেন নামিবিয়ার জেজে স্মিট। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচে টানা চারটি করে উইকেট নিয়ে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহর সাথে যৌথভাবে ৩০তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যামিল্টনে ৫০ রান করে দুই ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন ভারতের শ্রেয়াস আইয়ার। নিউজিল্যান্ডের গ্লেন ফিলিপস ১৩ ধাপ এগিয়ে ২৪তম এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ১২ ধাপ এগিয়ে ৪১তম হয়েছেন।
শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১১৬ রান করা আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩৪ ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় ৫৯তম স্থানে উঠেছেন। আর অকল্যান্ডে ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি বোলারদের তালিকায় ২৩ ধাপ এগিয়ে আছেন ২৩তম।